শিরোনাম
চবি প্রতিনিধি : | ০৭:৪৩ পিএম, ২০২৬-০২-০৫
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পাহাড়ি ঝিরিপথ দিয়ে অভিনব কৌশলে বিপুল পরিমাণ গাছের গুঁড়ি পাচার করছিল একটি চক্র। খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু গাছের গুঁড়ি জব্দ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের সদস্যরা। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন পাহাড়ি ঝিরি দিয়ে ভেসে আসে ৭৬টি গাছের গুঁড়ি। রাত সাড়ে ৯টায় সেগুলো জব্দ করা হয়। সেগুন, গামারিসহ এসব গাছের বাজারমূল্য ২ লাখ টাকার বেশি। শীতের শেষের দিকে নালায় স্রোতের পানি না থাকায় বাঁধ দিয়ে পানি জমিয়ে একসাথে ছেড়ে ‘হড়কা বান’ সৃষ্টি করে এসব গাছ পাচারের চেষ্টা করছিল চক্রটি। স্থানীয়রা এ ঘটনাকে ভারতীয় মুভি পুষ্পা’র গাছ পাচারের দৃশ্যের সাথে তুলনা করেছেন। জানা গেছে, ৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় গাছ ভেসে আসতে দেখে কয়েকজন শিক্ষার্থী।এই দৃশ্য ভিডিও করে ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’ নামক গ্রুপে পোস্ট করেন মো. মিঠু ইসলাম নামের একজন শিক্ষার্থী। খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বাহিনী সেখানে গেলে ঝিরিতে পানি একেবারে কম দেখা যায়। পরবর্তীতে ঝিরিপথ ধরে সামনে গেলে ‘ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস’ সংলগ্ন এলাকায় বাঁশ বাগানের পেছনের ঝিরি থেকে কাঠগুলো জব্দ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, পাচারকারীরা ছড়ার উজানে কৃত্রিম বাঁধ দিয়ে পানি জমিয়ে রেখেছিল। পরে সেই বাঁধ ছেড়ে দিয়ে পানির তীব্র স্রোত তৈরি করে কাঠের টুকরোগুলো ভাটির দিকে ভাসিয়ে দেয়। মূলত পরিবহন জটিলতা এড়াতে এবং লোকচক্ষুর আড়ালে কাঠ সরাতে এই কৌশল অবলম্বন করা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত নিরাপত্তা দপ্তরের সুপারভাইজার শাহেদুল ইসলাম বলেন, ফেসবুকে ভিডিওটি দেখে আমরা তাৎক্ষণিক অভিযানে নামি। প্রায় ২ কিলোমিটার সামনে অগ্রসর হয়ে আমরা ৭৬টি গাছের গুঁড়ি উদ্ধার করি। যেগুলোর বাজারমূল্য আনুমানিক ২ লাখ টাকার বেশি। প্রশাসনের নির্দেশে রাতে পাহারা জোরদার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, গাছের গুঁড়ির প্রকৃত মালিক এখনও পাওয়া যায়নি। গাছের গুঁড়িগুলো জব্দ করা হয়েছে এবং ঘটনাস্থলে নিরাপত্তাকর্মী নিয়োজিত আছে। তিনি বলেন, গাছগুলো মূলত আসে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে এবং এগুলো কাটার জন্য বনবিভাগের অনুমতি প্রয়োজন। সুনির্দিষ্ট মালিক এবং ক্লিয়ারেন্সের প্রমাণ না পাওয়া গেলে জব্দ করা গাছের গুঁড়িগুলো নিলাম কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে নিলামে তোলা হবে।
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় পাহাড়ে ঝুমখেত থেকে ধান আনতে গিয়ে বন্য শূকরের আক্রমণে হরিমনি ত্রিপুরা ...বিস্তারিত
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : : টুরিজম স্পর্ট সাজেকের উজোবাজারে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পর্যটন সড়কে অবরোধ অব্যাহত রয়েছে। পার্à...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযà...বিস্তারিত
কক্সবাজার প্রতিনিধি: : আগামী ১ নভেম্বর পর্যটকদের জন্য খুলছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। ২০২৭ সালের ১৫ মà¦...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : সাজেকের সংকট কি কেবল পাঁচ দফা দাবির আন্দোলন, নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারের লড়াই!...বিস্তারিত
নয়ন চক্রবর্তী, বান্দরবান : : বান্দরবানের বাকিছড়া নতুন পাড়াবাসীদের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে বালাঘাটা এল...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited